Latest Breaking

বেআইনি কচ্ছপ রেখে বিতর্কে বিজ্ঞান মঞ্চের কর্মী


চন্দন দাস,হলদিয়া: বাড়িতে বে-আইনি কচ্ছপ রেখে  বনদফতরের নজরে পড়েন হলদিয়ার পরিবেশ ও বিঞ্জান মঞ্চের কর্মী প্রাণনাথ শেঠ।তিনি আবার একটি স্কুলের শিক্ষক। বাড়ির পাশে প্রায় ১৮/১৬ফুট পরিখা দেওয়া চৌবাচ্চায় বছর বারো আগে দশটি কচ্ছপ পুষেছিলেন।খবরে প্রকাশ বর্তমানে সেই সংখ্যা শতাধিক। বাজার থেকে, স্থানীয় মানুষের কাছ থেকে কচ্ছপ নিয়ে এসে তিনি লালন - পালন করেছিলেন।

জানাজানি হওয়ার পর হলদিয়া রেঞ্জের বনদফতরের জেলার আধিকারিক বলরাম পাঁজা তাঁর দলবল নিয়ে সম্প্রতি পরিবেশ ও বিঞ্জান মঞ্চের সক্রিয় কর্মী প্রাণনাথ শেঠ এর বাড়িতে হাজির হন।তিন ঘণ্টার কচ্ছপ ধরার অভিযান চালিয়ে মাত্র ১৯টি কচ্ছপ উদ্ধার করেন। যদিও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বাকি এত সংখ্যক'ইন্ডিয়ান ফ্ল্যাপ শেল' প্রজাতির কচ্ছপগুলি গেল কোথায়!  নন্দকুমার রেঞ্জের আধিকারিক প্রকাশ মাইতি বলেন,কৃত্রিম পরিখাতে বেশি জল থাকায় সব কচ্ছপ ধরা যায়নি । তবে এলাকার বুদ্ধিজীবীরা প্রশ্ন তোলেন সত্যিই কী শতাধিক কচ্ছপ ছিল?  না এর পেছনে কোন গল্প আছে। প্রকাশ বাবু বলেন১৯টি কচ্ছপকে উদ্ধার করে সেগুলি শংকরপুরে রেঞ্জের পুকুরে ছাড়া হয়েছে।
এদিকে কচ্ছপ উদ্ধার নিয়ে হৈ চৈ শুরু হয়েছে সর্বত্র।প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে; একজন পরিবেশ ও বিঞ্জান কর্মী হয়েও এত কচ্ছপ কীভাবে বাড়িতে রাখতে পারেন তা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বন্যপ্রাণী সংরক্ষন আইনে বাড়িতে এভাবে কচ্ছপ পোষা যায় না বলে জানান,জেলার অতিরিক্ত মুখ্যবন আধিকারিক বলরাম পাঁজা। বন্যপ্রান সংরক্ষন আইনে এভাবে বাড়িতে কচ্ছপ রাখা দণ্ডণীয় অপরাধ। ১৯৭২ সালের ওই আইন অনুসারে কোন ব্যাক্তির সর্বাধিক ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং সাত বছরের জেল হতে পারে।
প্রাণনাথ বাবু বলেন,কচ্ছপগুলিকে লালন - পালন  করেছিলাম। ওরা ভাল থাকলেই আমি খুশি। আইন তো আর অমান্য করা যায় না।

No comments