Latest Breaking

কংক্রিটের ব্রীজ নির্মাণ এবং বিনামূল্যে খেয়া পারাপারের দাবিতে বিডিও অফিসে বিক্ষোভ-অবরোধ


অনুরাধা পন্ডা :  শীলাবতীর সাহেবঘাটে কংক্রিটের ব্রীজ নির্মাণ এবং যতদিন তা না হচ্ছে সরকারি উদ্দ্যোগে নিরাপদে ও বিনামূল্যে পারাপারের দাবিতে ঘাটাল বিডিও অফিসে বিক্ষোভ-অবরোধ

   পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ঘাটাল ও দাসপুর ব্লকের মধ্যে সংযোগকারী শিলাবতী নদীর উপর সাহেবঘাটে অবিলম্বে কংক্রিটের ব্রীজ নির্মাণ, যতদিন তা না হচ্ছে সরকারী উদ্যোগে নিরাপদে ও বিনামূল্যে পারাপারের বন্দোবস্ত সহ সংযোগকারী রাস্তা পাকা করা এবং ওই স্থানে কাঠের সেতুর বর্তমান মালিকগনের পক্ষ থেকে বাৎসরিক টোল ট্যাক্স আদায়ের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবীতে আজ ঘাটাল বিডিও অফিসে এলাকার কয়েকশো ভুক্তভোগী মানুষ বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। বিডিও অফিস চত্বরে প্রায় দেড় ঘন্টা পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান বিক্ষোভকারীরা। অবশেষে পঞ্চায়েত সমিতির সহকারী সভাপতি কমিটির দাবিগুলি সম্পর্কে তার বক্তব্য জনসমক্ষে তুলে ধরলে বিক্ষোভকারীরা পথ অবরোধ তুলে নেয়। নেতৃত্ব দেন কমিটির উপদেষ্টা নারায়ন চন্দ্র নায়ক, সভাপতি ডাঃ বিকাশ চন্দ্র হাজরা, কমিটির যুগ্ম সম্পাদক কানাই লাল পাখিরা, ঝাড়েশ্বর মাজী প্রমূখ। বিক্ষোভকারীরা বিডিও সঞ্জীব দাসকে স্মারকলিপিও দেন। প্রতিনিধিদলে ছিলেন কমিটির উপদেষ্টা নারায়ন চন্দ্র নায়ক, সহ-সভাপতি অধ্যাপক হিমাংশু হাজরা,যুগ্ম সম্পাদক কানাইলাল পাখিরা প্রমুখ। 

         নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন, সাহেবঘাটের ওই স্থানে কংক্রীটের ব্রীজ ও সংযোগকারী পাকা রাস্তা হলে ঘাটাল মহকুৃমার রাজনগর, দেওয়ানচক-১, ২ ও অজবনগর-১ প্রভৃতি  অঞ্চলের প্রায় ৫০ টি গ্রামের কয়েক হাজার ছাত্রছাত্রী সহ মানুষজন উপকৃত হবেন। পড়াশোনা-চিকিৎসা-ব্যবসা-হাট বাজার-অফিস আদালত সহ নিত্যনৈমিত্তিক প্রয়োজনে মহকুমা শহর ঘাটাল ও পাঁশকুড়া সাথে যোগাযোগ সুগম হবে। সম্প্রতি ওই দাবিতে রাজ্যের সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিক ও পূর্তমন্ত্রী পুলক রায়কে ডেপুটেশন ও মূখ্যমন্ত্রীর দপ্তরে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। 

      কানাই লাল পাখিরা অভিযোগ করে বলেন,শীলাবতীর সাহেবঘাটে সেচ দপ্তর প্রায় দশ বছর পূর্বে মাটি পরীক্ষা করলেও আজও সেই স্থানে কংক্রিটের ব্রীজ নির্মিত হয়নি। অন্যদিকে গত ২০১৪ সাল থেকে ওই স্থানে স্থানীয় কয়েকজন একটি কাঠের সেতু করে পঞ্চায়েত সমিতিকে সামান্য অর্থ দিয়ে টোল ট্যাক্স আদায় করছে। ওই কমিটির টোল ট্যাক্স আদায়ের মেয়াদ জুলাই মাসে শেষ হবে। অথচ ওই ব্রীজের মালিকরা বাৎসরিক টোল ট্যাক্স আদায়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

No comments